Summary
আদু মিয়া, বা আদুভাই, ক্লাস সেভেনে পড়তো এবং স্কুলে সবসময় নিয়মিত ছিল। সে সবাইর প্রিয় ছিল, কিন্তু বিগত পরীক্ষায় তিনি কখনো পাশ করতে পারেননি। তিনি বিশ্বাস করতেন, ভালোভাবে পড়াশোনার মাধ্যমেই প্রমোশন সম্ভব। তাই, পরীক্ষার সময় তিনি নিজের মতো উত্তর দিতেন, যা তাকে কখনোই সফলতা এনে দেয়নি। কিন্তু যখন তার ছেলে অন্য স্কুলে ক্লাস সেভেন পাশ করার চেষ্টা করে, তখন আদুভাই প্রমোশনের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে এবং কঠোর পরিশ্রম শুরু করে। এতে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং অসুস্থ অবস্থাতেও পরীক্ষায় অংশ নিয়ে প্রমোশন পায়। দুর্ভাগ্যবশত, প্রমোশনের আনন্দ উদ্যাপনের দিনেই তার মৃত্যু ঘটে। গল্পটিতে লেখক হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে দেখিয়েছেন যে, জ্ঞান অর্জনে বয়স কোনো বাধা নয় এবং নির্দিষ্ট স্তরে স্থির থাকা যুক্তিযুক্ত নয়।
আদু মিয়া ওরফে আদুভাই ক্লাস সেভেনে পড়তেন। স্কুলে তিনি ছিলেন নিয়মিত, চাল চলন ও আচার-আচরণে ছিলেন সবার প্রিয়। কিন্তু পরীক্ষায় পাশ করতে পারতেন না। তাঁর সহপাঠীদের অনেকে স্কুলের শিক্ষক পর্যন্ত হয়েছেন কিন্তু আদুভাই আর প্রমোশন পাননি। তাঁর ধারণা, ভালোভাবে পড়াশোনা করে তবেই না প্রমোশন। তাই তিনি পরীক্ষার উত্তরপত্রে নিজের মতো উত্তর করতেন, কখনো প্রশ্নও জুড়ে দিতেন। ফলে প্রমোশনও তাঁর মিলত না। কিন্তু আদুভাইয়ের ছেলে যখন অন্য একটা স্কুলে ক্লাস সেভেন পাশ করতে যাচ্ছে, তখন তিনি প্রমোশনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠলেন। এবার তিনি শুরু করলেন কঠোর পরিশ্রম। পরিশ্রমের ধকলে ভয়ানক অসুস্থ হয়ে পড়লেন। শেষ পর্যন্ত অসুস্থ অবস্থায় আদুভাই পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ক্লাস সেভেন থেকে এইটে প্রমোশন পেলেন ঠিকই, তবে প্রমোশনের আনন্দ উদ্যাপনের দিনই তিনি মারা গেলেন।
গল্পটির ভেতর দিয়ে হাস্যরসাত্মক ভঙ্গিতে লেখক দেখিয়েছেন, জ্ঞানার্জনের পথে বয়স কোনো বাধা নয়। আবার কোনো বিষয়ে পরিপূর্ণ জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে নির্দিষ্ট স্তরে স্থির থাকাও যুক্তিযুক্ত নয়।
Read more